সিকিম থেকে ভুটানে পাচারের সময় বন্যপ্রাণীর দেহাংশ উদ্ধার করলো বেলাকোবার রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত ও বন রক্ষী বাহিনী

s dutta pic (1)

সিকিম থেকে ভুটানে পাচারের সময় বন্যপ্রাণীর দেহাংশ উদ্ধার করলো বেলাকোবার রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত ও বন রক্ষী বাহিনী

জলপাইগুড়ি, ২৭ মার্চ । আবার বড় ধরনের সাফল্য পেলো বনদপ্তর বেলাকোবা রেঞ্জের রেঞ্জার সঞ্জয় দত্তের হাত ধরে । গ্যান্টক থেকে ভূটানে বন্যপ্রাণীর দেহাংশ পাচার করার সময় রংপো এলাকায় ৪জন সিকিমের বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করলো বনদপ্তর। গোপন সুত্রে খবর পেয়ে  জলপাইগুড়ি বেলাকোবা রেঞ্জের রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত তার বাহিনী নিয়ে সিকিম থেকে ভূটান যাওয়ার পথে রংপো এলাকায় চেকিং শুরু করে। এই চেকিং এর সময় সিকিম নাম্বারের একটি গাড়িকে তার আটক করে সেই গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় মোট ২কেজি ৪০০ গ্রাম পেঙ্গলিনের আঁশ ।গ্রেপ্তার করা হয় গাড়িতে থাকা ৪ ব্যক্তিকে । ধৃতরা সবাই সিকিমের ও একজন কালিম্পঙ এর বাসিন্দা ।তাদের নাম কমল কুমার সিনহা (৭০) -নামচি ,দল বাহাদুর থাপা (৫৬ ) -গ্যাংটক সদর ,ওয়াংসেন শেরপা (২৪ ) -কালিম্পঙ ও পাসাং তসারিং ভুটিয়া (৪৩ )- নামচির বাসিন্দা বলে জানা গেছে । বন বিভাগের পক্ষ থেকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে যে ,মঙ্গলবার ভোর থেকে জলপাইগুড়ি বেলাকোবা রেঞ্জের রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত ও তার বন বিভাগের রক্ষী বাহিনী রংপো এলাকায় নাকা চেকিং শুরু করে ।অবশেষে বেলা ১টা ৪৫মিনিট নাগাদ গাড়িটিকে আটক করতে সক্ষম হয় বন কর্মীরা ।সিকিমের গ্যাংটক থেকে ভূটানে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে  পাচার করা হচ্ছিল এই পেঙ্গলিনের আঁশ গুলি।ধৃতদের জেরা করে বনদপ্তরের আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন সিকিমের জঙ্গল থেকে এই পেঙ্গলিন গুলিকে মেরে তাদের আঁশ বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছিল।জলপাইগুড়ি বেলাকোবা রেঞ্জের রেঞ্জার সঞ্জয় দত্ত জানিয়েছেন ধৃতরা মোট ১২টি পেঙ্গলিন কে মেরে তার আঁশ (মোট ২কেজি ৪০০গ্রাম) প্রচুর চড়া দামে বিক্রির ছক কষেছিল । একটি পেঙ্গলিন থেকে ২০০গ্রাম আঁশ পাওয়া যায়।এই পেঙ্গলিনের আঁশ দিয়ে ঔষধ তৈরি হয়। ধৃতদের জেরা করে এদের সাথে কে বা কোনো সংস্থা যুক্ত আছে কিনা সেই সম্পর্কে খোঁজ চালাচ্ছে বন বিভাগের আধিকারিকরা।আজ বন বিভাগের পক্ষ থেকে সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ঘটনা টি কে প্রকাশ করা হয় । ধৃতদের আজ জলপাইগুড়ি জেলা আদালতে তোলা হবে।(এন এ )

Please follow and like us: