ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে

 

?

জলপাইগুড়ি ১৭ মার্চ:- পড়তে এসে এখন জীবন সংসয় ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। প্রথম বর্ষের ছাত্র বিশাল যাদবের ওপর র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রদের বিরুদ্ধে।অভিযোগ শুধু দ্বিতীয় বর্ষের নয় চতুর্থ বর্ষের ছাত্ররারাও প্রথম বর্ষের ছাত্রদের ওপর অত্যাচার করেছে। অত্যাচারের মাত্রা এমন ছিল যে বেশ কিছু ছাত্র কলেজ হস্টেল ছেড়ে পালিয়ে গেছে। যারা যেতে পারেনি তারা একপ্রকার প্রান ভয়ে কলেজের হস্টেলে ঘরবন্দী হয়ে আছে। কলেজে আসার পর থেকেই প্রায় প্রতিদিনই প্রথম বর্ষের ছাত্রদের র‍্যাগিং করত বলে অভিযোগ। বিশাল যাদব অভিযোগ করে জানান, ১৫ তারিখ রাতে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্ররা তার ঘরে গিয়ে প্রথমে তাকে বিনা প্ররোচনায় ধাক্কা ধাক্কি করতে থাকে। পরে সে নিজেকে বাঁচাতে চেষ্ঠা করতে গেলে প্রায় ১০-১২ জন মিলে তাকে বেদম প্রহার করে, মারের চোটে বিশালের হাত ও শরীরের বেশ কিছু জায়গা,কেটে যায়। হস্টেলের ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। সেই সময় কয়েক জনের কথায় সেই কাজ থেকে বিরত হলেও তাকে ঘর বন্ধ করে রেখে দেয় বলে অভিযোগ। পরে বিষয়টি কলেজ কতৃপক্ষের কানে এলে কলেজ অধ্যক্ষ দীপক কুমার কোলে বিষয়টি মিটমাটের জন্য গেলে চড়াও হয় বলে অভিযোগ প্রথম বর্ষের ছাত্রদের। এদিকে বার্ণপুরের বাসিন্দা বিশাল যাদবের বাবা রমেশ্বর যাদব এদিন ছেলের জীবন সংশয় আছে বলে জানান। এদিন তিনি ছেলেকে সাথে নিয়ে যাবেন বলে কলেজ কতৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে চাইলেও অন্য ছাত্রদের বাধায় তিনি কলেজে ঢুকতে পারেননি। পাশাপাশি তিনি তার ছেলের ওপর যারা অত্যাচার করেছে তাদের কড়া শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। পাশাপাশি তার ছেলের নিরাপত্তার দাবী জানিয়েছেন জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারন) সুমেধা প্রধানের কাছে। অন্যদিকে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে দ্বতীয় বর্ষের ছাত্ররা। তাদের সাফ দাবী তারা কোন রকম র‍্যাগিং কাউকেই করেননি। তবে তাদের মধ্যে একটা ঝগড়া হয়েছিল মাত্র এবং সেটা মিটেও গিয়েছিল। যারা এই অভিযোগ করছে তারা সম্পুর্ন মিথ্যে কথা বলে তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। পাশাপাশি তারা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত দাবী করেছেন। এর জন্য তারা সব রকম ভাবে সহযোগীতা করবেন বলেও জানান তৃতীয় বর্ষের ছাত্র প্রশান্ত সিং। সব মিলিয়ে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে এখনো উত্তপ্ত জলপাইগুড়ি গভ:ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ।

Please follow and like us: