প্রচুর নিয়োগের পথে হাঁটতে চলেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়

aae 11

মালদা, ৫ এপ্রিল ঃ বছরের পর বছর ১০০ পয়েণ্ট রোস্টার নিয়মানুগ না হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে থমকে ছিল নিয়োগ। এবার রাজ্য সরকারের অনগ্রসর শ্রেণী কল্যান দপ্তরের সাহায্যে সেই বাধা কাটিয়ে শিক্ষক, আধিকারিক এবং অশিক্ষক পদে প্রচুর নিয়োগের পথে হাঁটতে চলেছে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। পঞ্চায়েত নির্বাচন পর্ব মিটলেই নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে। দেশ জুড়ে চলতে থাকা দলিত শ্রেণীর প্রবল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১০০ পয়েণ্ট রোস্টার সংক্রান্ত বিতর্ক কাটিয়ে ওঠাকে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক স্বাগত সেনের বড় সাফল্য বলেই মনে করছে উচ্চশিক্ষা দপ্তর।
২০০৭ সালে তৎকালীন রাজ্য সরকার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়। ২০০৮ সাল থেকে মালদা কলেজ ক্যাম্পাস থেকে যাত্রা শুরু হয় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। প্রথম রেজিস্ট্রারের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক তাপস চট্টোপাধ্যায় শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগের ক্ষেত্রে ১০০ পয়েণ্ট রোস্টার অথিন্টিকেট বা নিয়মানুগ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সেই অনুযায়ী নিয়োগও শুরু হয়। সেই সময় শিক্ষক, আধিকারিক এবং অশিক্ষক কর্মী পদে প্রায় ৭০ জনের নিয়োগ করা হয়েছিল ১০০ পয়েণ্ট রোস্টার মেনেই।
গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক তাপস চট্টোপাধ্যায় ২০১০ সালে রেজিস্ট্রারের পদ ছেড়ে দেবার পর থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে ওই পদটি সামলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তারপরে উপাচার্যও বদল হয়েছে তিনবার। কিন্তু ১০০ পয়েণ্ট রোস্টার অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দপ্তর থেকে আইনি পদ্ধতিতে অনুমোদন করানো হয় নি বলে অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিক্ষক। ২০১৭ সালে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক গোপালচন্দ্র মিশ্রকে এই বিষয়ে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি ওই শিক্ষকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তর, ডাইরেক্টরেট অফ পাবলিক ইন্সট্রাকশন (ডিপিআই) এবং অনগ্রসর শ্রেণী কল্যান দপ্তরেও।

Please follow and like us: