দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল মালদা

malda 1
বেশ কিছুদিন ধরেই দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য চলছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মহদিপুরে। সেখানে আসা পণ্যবাহী লরিগুলি থেকে তোলা আদায় করাই দুষ্কৃতীদের কাজ। অভিযোগ, দাবি মতো তোলা না পেলেই দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হন লরিচালকরা। এই নিয়ে একাধিকবার লরিচালক ও খালাসিরা ইংরেজবাজার থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। তোলা না পেয়ে সীমান্ত দুষ্কৃতীরা এর আগে পঞ্জাবের এক লরিচালককে খুন করে। আহত হয়েছেন একাধিক লরিচালক। সম্প্রতি দুই দফায় ওই দুষ্কৃতীরা মহদিপুর সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকা লরিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। সেইসব ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি।  এরপর আজ ভোরে দাবি অনুযায়ী তোলা না দিলে দুষ্কৃতীদের হামলার শিকার হন বিক্রম মণ্ডল নামে ওই লরিচালক। তাঁর বাড়ি বৈষ্ণবনগর থানার ১৬ মাইল এলাকায়। তাঁকে মারধর করা হয়। কেড়ে নেওয়া হয় সঙ্গে থাকা ৩ হাজার টাকা।একবার ফের এক লরিচালকের আক্রান্ত হওয়ার খবর দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। এরপরই পুলিশ-দুষ্কৃতী আঁতাতের অভিযোগ এনে সুস্থানি মোড়ে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন লরিচালক ও খালাসিরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থানে পৌঁছায় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ ও RAF। সেই সময় অবরোধকারীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, হঠাৎ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথরের বৃষ্টি শুরু হয়। এরপরই বেধড়ক লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। শূন্যে ৬ থেকে ৭ রাউন্ড গুলিও চালানো হয়। তবে লাঠিচার্জের কথা স্বীকার করলেও গুলিচালনার কথা অস্বীকার করেছে পুলিশ।ঘটনায় মানিকচকের বিধায়ক মোত্তাকিন আলম বলেন, “যতদিন না মহদিপুরে সরকারি পার্কিং প্লেস হচ্ছে, ততদিন এমন ঘটনা চলতেই থাকবে। এর আগেও দুষ্কৃতীরা একাধিকবার লরিচালকদের উপর হামলা চালিয়েছে। আজ লরিচালকরা সুস্থানি মোড়ে অবরোধ করলে পুলিশ আইনশৃঙখলা রক্ষার নামে সেখানে লাঠি চালায়। গুলিও চালিয়েছে বলে খবর আছে।” তিনি ইংরেজবাজার থানার IC-র সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তবে এই মুহূর্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।(এনএ)

 

Please follow and like us: